Elektronik sigara likiti, sex shopm

DCCI :: News Detail
About DCCI
Brief About DCCI
Quality Policy and Objectives
DCCI Founders
Former Presidents
Former Senior Vice Presidents
Former Vice Presidents
Message from President
Board of Directors
DCCI Secretariat
Achievements & Awards
International Affiliations
Media Corner
Latest News
Events
Publications
DCCI Review
Photo Gallery
Video Gallery
Information for
Bilateral Trade
Major Export Items of Bangladesh
Major Import Items of Bangladesh
Trade and Business Opportunities in Bangladesh
National Budget Speeches
Economic Policy of CIPE, DCCI
Policies
DCCI Business Institute
Important Links
Latest News
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এর ২০১৭ কর্মপরিকল্পনা
02 Feb 2017

২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৩০ সালে বিশ্বের ৩০তম বৃহৎ অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বেসরকারি ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য বিশ্বব্যাংক কর্তৃক Ease of Doing Business2016, Global Competitiveness Index (GCI) ও Economic Freedom Index (EFI)এ বাংলাদেশের অবস্থান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যমান রেগুলেটরি কাঠামো ও প্রচলিত সেবাদান পদ্ধতিসমূহের মানোন্নয়ন ও সংস্কারের যথাযথ সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন, যা সম্ভাবনাময় দেশি ও বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োকারীদের বাংলাদেশে অপার বিনিয়োগ সম্ভাবনাসহ ও জাতীয় অর্থনীতির বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে।


৭% প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় ১৪৬৬ মার্কিন ডলার, রপ্তানী আয় ৩৪.২৪ বিলিয়ন ডলার, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১৫,৫৩৯ মেগাওয়াট এবং বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ-এর পরিমাণ ৩২.০৯ বিলিয়ন ডলার সহায়তায় দেশের সমষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার পরিচয় বহন করলেও অবকাঠামোতে আমাদের বিনিয়োগ মাত্র ২.৮৫%, বেসরকারি বিনিয়োগ ২২%, ট্যাক্স জিডিপির মাত্র ১০% যা দেশের কাক্সিক্ষত বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে অন্তরায়।


মিশন ২০১৭:

২০১৭ ঢাকা চেম্বার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এসএমই খাতের উন্নয়ন, জ্বালানি, ঢাকা চট্টগ্রাম অর্থনৈতিক করিডোর, ট্যাক্স, ভ্যাট এবং অন্যান্য কর, প্রতিযোগিতা পূর্ণ বাণিজ্য সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি, গবেষণা ও উন্নয়ন, নতুন উদ্যোক্তা তৈরিকরণ প্রকল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পাটপণ্য বহুমুখীকরণ।


১৯৭০ এবং বর্তমান বাংলাদেশ: ১৯৭০ সালে হেনরি কিসিনজার, সেক্রেটারী অব ষ্টেট, USA “বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে চিহ্নিত করে”। বিগত এক যুগ ধরে প্রায় ৬% হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ উদীয়মান সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে পরিচিত করেছে। GoldmanSachs’sএর প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ১১তম উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে চিহ্নিত। বাংলাদেশ ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ২৩তম বৃহত্তর অর্থনীতির দেশ হবে। এছাড়া Investors Chronicleএর মতে বাংলাদেশ বর্তমান সম্ভাবনাময় বিদেশি বিনিয়োগের গন্তব্য, যাকে ÒJP MorganÓপঞ্চম অন্যতম সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এছাড়া বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে সবচেয়ে নিরাপদ ও নিয়মিত লাভজনক বিনিয়োগের স্থান হিসেবে চিহ্নিত করেছে।


বর্তমান বাংলাদেশ: অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ জিডিপির ২.৮৫%, বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২২%, ট্যাক্স জিডিপির অনুপাত ১০%, বিনিয়োগ বোর্ডের পূর্নগঠন- BIDA'র কার্যকরী ভূমিকা, চীনের ৩৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি; ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ; অর্থনৈতিক বিশেষ অঞ্চল স্থাপণ; জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭.২% এবং কান্ট্রি কম্পিটিটিভনেস সূচকে বাংলাদেশের নি¤œ-অবস্থান।


৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা: বিনিয়োগ জিডিপির ৩৪% পর্যন্ত বৃদ্ধি, যা ৪০০ বিলিয়ন ডলার, এফডিআই জিডিপির ৩%, ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে জিডিপির ২১% এবং ৫৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি, কয়লাভিত্তিক জ্বালানী ৫০%  এবং জিডিপির ৮% বৃদ্ধি যা ২০২০ সাল নাগাদ ১২.৯ মিলিয়ন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।


অর্থনৈতিক ভিশনসমূহ: ২০২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশ, পোশাক শিল্পের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০ বিলিয়ন ডলার, বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি জিডিপির ২৯% থেকে ৩৫%, অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ জিডিপির ২.৮৭% থেকে ৭% অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে অবকাঠামো খাতে ৩২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকে ৪০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি ও ১০ মিলিয়ন নতুন কর্মসংস্থান।

মূল চ্যালেঞ্জসমূহ:


অবকাঠামো, ব্যবসা পরিচালনা ব্যয় বৃদ্ধি, ব্যবসা সক্ষমতা পরিবেশের অভাব, জ্বালানির নিরাপত্তা ও জ্বালানি মূল্য অস্থিতিশীলতা, এফডিআই-জিডিপির হার ১% শতাংশ, ১২টি পিপিপি প্রকল্প, ঘনঘন পলিসি পরিবর্তন, দক্ষতা উন্নয়ন, ২.৫ মিলিয়ন লোক চাকুরির বাজারে সংযুক্তি।


জ্বালানি,অবকাঠামো, কর অবকাঠামো, ভূমি ব্যাবস্থাপনা, দক্ষ জনবল, সরকারি বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়নে অদক্ষতা, প্রকল্প অর্থায়নের সমস্যা, ভূমির দাম, অধিগ্রহণ ও নিবন্ধন, অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বেসরকারি বিনিয়োগের অনুপস্থিতি।


গ্লোবাল কম্পিটিটিভনেস রিপোর্ট: অবকাঠামো উন্নয়নে ১৩৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১১৪তম অবস্থানে। World Economic Forumএর , Global Competitiveness Report এ বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়নে ১২৩তম থেকে ১১৪তম অবস্থানে উন্নীত হলেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এক মাত্র পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে। Global Enabling Trade Report এ বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৬টি দেশের মধ্যে ১২৩তম। যেখানে শ্রীলংকা ১০৩তম, ভিয়েতনাম ৭৩তম ও কম্বোডিয়া ৯৮তম।


বাংলাদেশ উন্নয়নে পটভূমি: বেসরকারি খাত অর্থনৈতিক উন্নয়নের চালিকা শক্তি;সীমিত সম্পদ; অবকাঠামো খাতে জিডিপির মোট ২.৮৭% বরাদ্ধ; অপরিকল্পিত, মানহীন অবকাঠামো জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে ৬% - ৭% এর মধ্যে সীমাবদ্ধ; প্রকল্প বাস্তবায়নে দির্ঘসূত্রীতা; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দক্ষতা উন্নয়ন তুলনামূলক ভাবে গুরুত্বহীন।


সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক খাতসমূহ: মহাসড়ক, টোল রোড ব্যবস্থা এবং এক্সপ্রেসওয়ে উন্নতকরণ; রেলপথে যোগাযোগ; নৌপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন; ঢাকা চট্টগ্রাম অর্থনৈতিক করিডোর; ঢাকা শহর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন (এমআরটি এবং বিআরটি প্রকল্প); বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, বন্দর, সমুদ্রবন্দর ও গভীর সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন; কয়লা জ্বালানি; এলএনজি টার্মিনাল; নতুন গ্যাস খনি খনন; এলপিজি ব্যবহার; এবং অবকাঠামো খাতে বিদেশি বিনিয়োগ।


অবকাঠামোগত খাতে বিনিয়োগ: বিশ্বব্যাংকের মতে বাংলাদেশে ২০২০ সালের মধ্যে ৭৪ থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার অবকাঠামোগত খাতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। আর ঢাকা চেস্বারের হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে ৩২০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন। প্রতিবছর ২০ বিলিয়ন ডলার বিনেয়োগ প্রয়োজন, যা জিডিপির ৫%, বর্তমানে যা ২.৮৭%।

ডুয়িং বিজনেস ইনডেক্সে: বিশ্ব ব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস ইনডেক্সে ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৭৬তম। ইতিমধ্যে আগামী ৫ বছরে ডুয়িং বিজনেস ইনডেক্স বাংলাদেশের অবস্থান ১০০ এর মধ্যে নিয়ে আসার লক্ষ্যে ইওউঅ'র উদ্যোগ গ্রহণ।


২০৩০ সালের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেকরণীয়:  CHINA PLUS One স্ট্রাটেজী; অবকাঠামো ও জ্বালানি নিশ্চয়তা।


বৈদেশিক বিনিয়োগ: এশিয়া বৈদেশিক বিনিয়োগের আদর্শ স্থান। ২০১৫ সালে এশিয়া প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক বিনিয়োগ অর্জন করেছে এবং এশিয়ার অন্যতম আকর্ষনীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ মাত্র ২ বিলিয়ন ডলার। বৈদেশিক বিনিয়োগ কিছুটা বাড়লেও বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার অনুযায়ী এফডিআইর পরিমাণ এখনও অনেক কম যা  মোট জিডিপির মাত্র ১%। ভারত, পাকিস্তান, জাপান এবং ভিয়েতনামের তুলনায় বাংলাদেশে এফডিআইর পরিমাণ এখনও অনেক কম। এলক্ষ্যে, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানী নিরাপত্তা, সুশাসন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ প্রয়োজন।


এশিয়ায় অবকাঠামো বিনিয়োগ: বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি জোর দিতে হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভিয়েতনাম বিগত ১০ বছরে জিডিপির ১০%, ভারত জিডিপির ৭.৫% এবং চীন জিডিপির ৯% বিনিয়োগ করেছে। ১৯৭০-১৯৯০ পর্যন্ত তাইওয়ান প্রতি বছর জিডিপির ৯.৫% এবং দক্ষিণ কোরিয়া ৮.৭% অবকাঠামোখাতে বিনিয়োগ করে, যা তাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে। ২০২০ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অবকাঠামো খাতে এশিয়ায় প্রায় ৮ ট্রিলিয়ন বিনিয়োগের প্রয়োজন।


বাংলাদেশে অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ: বর্তমানে ৮৮% মানুষ যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য সড়ক পথ ব্যবহার করে সেখানে মাত্র ৪% মানুষ রেল এবং ৮% মানুষ নদী পথ ব্যবহার করে। নিরাপদ যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে রেল এবং নৌ যোগাযোগ অবকাঠামোখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।


ঢাকা বিকেন্দ্রীকরণ: সঠিক পরীকল্পনার অভাবে এবং মাত্রারিক্ত জনসংখ্যার চাপের কারণে ঢাকা শহরে মানুষ স্বাভাবিক জীবন অতিবাহিত করতে পারছে না। তাই ঢাকাভিত্তিক প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ জরুরী। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ করতে অন্যান্য জেলা শহরেও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে।


বাংলাদেশের জন্য শিক্ষনীয়:

বাংলাদেশ মালেশিয়ার মত অবকাঠামো খাতে বন্ড ছাড়তে পারে।

ভিয়েতনাম এর মত জ্বালানী এবং যোগাযোগ খাতে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করতে পারে।

ভারতের ন্যায় হাব্রিড পিপিপি চালু করতে হবে।

বিদ্যুৎ খাতের ন্যায় যোগাযোগ খাত উন্নয়নে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।


সময় উপযোগী অবশ্যম্ভাবী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রস্তাব:

বিদ্যুৎখাতে ট্রান্সমিসেন ও ডিস্ট্রিবিশন কাজে বেসরকারী অংশগ্রহণ।

দ্রুত কয়লা উত্তলোন ও ব্যবহান নিশ্চিতকরন।

বাপেক্স ও অন্যান্য প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তলোন সংস্থাসমূহকে শক্তিশালীকরন।

পাবলিক প্রাইভেট ডায়লগ ফোরামকে শক্তিশালী করন ও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে রিফোরম কমিশন প্রতিষ্ঠান।

রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিআরটি এবং এমআরটি দ্রুত বাস্তবায়ন।

৮ লেনের ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে দ্রুত সম্পন্নকরন।

ডুয়িং বিজনেস ইনডেক্স এ বাংলাদেশ অবস্থান উন্নয়ন।


একমাত্র অবকাঠামোগত উন্নয়ন ৮%-১০% জিডিপি অর্জন ও কাঙ্খিত অর্থনৈতিক উন্নয়নে অপরিহার্য।

Seminar & Workshop
Aug 25, 2017
Workshop on 'Total Quality Management (TQM)' to be held during 25-26 August 2017 from 10.00 am to 05.30 pm
Aug 25, 2017
Training Course on "Understanding L/C Procedures for Export & Import Operation" to be held during 25-26 August 2017 from 10.00 am to 05.30 pm
Aug 25, 2017
Training Course on "The Role of Private Sector in Implementation of Sustainable Development Goals (SDG)" to be held during 25-26 August 2017 from 10.00 am to 05.30 pm
Aug 25, 2017
Workshop on "Rules and Procedures of VAT & Income Tax" to be held during 25-26 August 2017 from 10.00 am to 05.30 pm
Jul 28, 2017
Workshop on "Domestic Enquiry and Disciplinary Action According to Labour Law" to be held during 28-29 July 2017 from 10.00 am to 05.30 pm
Latest News
Aug 09, 2017
DCCI dialogue urges for more agro processing plant and cold storage
Aug 08, 2017
UNDP and DCCI sign MoU to boost Public Private Innovation
Aug 06, 2017
Implementation of law and awareness are key to ensure food safety
Aug 02, 2017
Stakeholders urged for CSR guidelines and impact assessment: DCCI Seminar
DBI Training Activities
Dec 16, 2016
New Economic Thinking: Bangladesh 2030 and Beyond